তুমি-আমি হাটছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিতুমীর রোডে।
অনেক কথায় সাজিয়েছিলাম মুহুর্তটাকে।
সেদিন ছিল ২৫মার্চ,১৯৭১সাল, রাত ন'টা।
চন্দ্র তখন আবির্ভুত।
জোনাকিরা আনাগোনা করছিল চারপাশে।
চারপাশ অনেকটা নিরব।
কে যেন দুর থেকে মনের দুখে আপন মনে বাশি বাজাচ্ছিল।
আর আমরা হাটছিই।
একে অপরের পানে চাইতেই.. ... ... ...।
শুরু হল গুলিবর্ষন,
ঝাকে ঝাকে বোমা বিস্ফোরন।
ভেঙ্গে দিল তোমার আমার গল্পের সাজানো অট্টালিকা।
ভেঙ্গে দিল সুরের গল্প।
যা বাকি রয়েছে অনেকটা,
কোনোদিন শেষও হবে না।
দুজনে ছড়িয়ে পড়লাম দুদিকে।
পথে দৌড়াচ্ছি আর ভাবছি.. .. .. ..
এ সংসারে বুঝি তোমার সাথে দেখা নাই হবে।
তারপর.. ..
প্রতিবছর ২৫মার্চ, ২৬মার্চেরর আগমন ঘটে।
তোমাকে খুজি,পাইনা।
এমনি করে ৪১টি বছর কেটে গেল।
চুলগুলো আমার অর্ধেক পেকে গেছে।
একডজন নাতি ও নাতিনী আমাকে নানা ও দাদু বলে ডাকে।
কিন্তু তোমার সাথে আজ হঠাৎ দেখা।
আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম।
ফুল দিতে এসেছিলে শহিদদের।
তোমাকে দেখলাম আমি আড়াল থেকে।
কিন্তু তোমাকে আমি ভালোভাবে দেখতে পারলামনা।
তুমি গাড়িতে উঠলে-
আমার মতো এক চশমা পড়া বুড়োর সাথে।
শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম।
কিছু বললামনা, ডাকলাম ও না।
যেন তোমাকে দেখিনি,
দেখেছি একটি সন্ধ্যাতারা।
উদয়ের সাথেই অস্ত।
এই বুড়ো বয়সে আজো তোমার কথা মনে পড়ে।
স্মৃতির ডায়েরিটা উল্টাই।
কৃষ্ণচুড়ার নিচে, বটমুলে খেয়েছিলাম -
কত বাদাম-ঝালমুড়ি, ফুচকা- চটপটি।
তোমার কত ছলনাময়ী আচরন, কত অভিমান।
আর রাগ-অনুরাগ, হাসি কান্নার মাখামাখি।
সব-ই আজ __
জীবন খাতার ছিন্ন পাতায় এলোমেলো পড়ে আছে।
কিন্তু একি !!!
অনেকদিন পর ডায়েরির পাতা খুলে-
পেলাম একটি শুকনো গোলাপ।
অনেক কথায় সাজিয়েছিলাম মুহুর্তটাকে।
সেদিন ছিল ২৫মার্চ,১৯৭১সাল, রাত ন'টা।
চন্দ্র তখন আবির্ভুত।
জোনাকিরা আনাগোনা করছিল চারপাশে।
চারপাশ অনেকটা নিরব।
কে যেন দুর থেকে মনের দুখে আপন মনে বাশি বাজাচ্ছিল।
আর আমরা হাটছিই।
একে অপরের পানে চাইতেই.. ... ... ...।
শুরু হল গুলিবর্ষন,
ঝাকে ঝাকে বোমা বিস্ফোরন।
ভেঙ্গে দিল তোমার আমার গল্পের সাজানো অট্টালিকা।
ভেঙ্গে দিল সুরের গল্প।
যা বাকি রয়েছে অনেকটা,
কোনোদিন শেষও হবে না।
দুজনে ছড়িয়ে পড়লাম দুদিকে।
পথে দৌড়াচ্ছি আর ভাবছি.. .. .. ..
এ সংসারে বুঝি তোমার সাথে দেখা নাই হবে।
তারপর.. ..
প্রতিবছর ২৫মার্চ, ২৬মার্চেরর আগমন ঘটে।
তোমাকে খুজি,পাইনা।
এমনি করে ৪১টি বছর কেটে গেল।
চুলগুলো আমার অর্ধেক পেকে গেছে।
একডজন নাতি ও নাতিনী আমাকে নানা ও দাদু বলে ডাকে।
কিন্তু তোমার সাথে আজ হঠাৎ দেখা।
আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম।
ফুল দিতে এসেছিলে শহিদদের।
তোমাকে দেখলাম আমি আড়াল থেকে।
কিন্তু তোমাকে আমি ভালোভাবে দেখতে পারলামনা।
তুমি গাড়িতে উঠলে-
আমার মতো এক চশমা পড়া বুড়োর সাথে।
শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম।
কিছু বললামনা, ডাকলাম ও না।
যেন তোমাকে দেখিনি,
দেখেছি একটি সন্ধ্যাতারা।
উদয়ের সাথেই অস্ত।
এই বুড়ো বয়সে আজো তোমার কথা মনে পড়ে।
স্মৃতির ডায়েরিটা উল্টাই।
কৃষ্ণচুড়ার নিচে, বটমুলে খেয়েছিলাম -
কত বাদাম-ঝালমুড়ি, ফুচকা- চটপটি।
তোমার কত ছলনাময়ী আচরন, কত অভিমান।
আর রাগ-অনুরাগ, হাসি কান্নার মাখামাখি।
সব-ই আজ __
জীবন খাতার ছিন্ন পাতায় এলোমেলো পড়ে আছে।
কিন্তু একি !!!
অনেকদিন পর ডায়েরির পাতা খুলে-
পেলাম একটি শুকনো গোলাপ।
No comments:
Post a Comment