এতক্ষনে ঘন মেঘ আকাশটাকে ঢেকে ফেলেছে।
যেন শ্রাবন বৃষ্টির বানে ডুবিয়ে দিবে দিনাজপুর শহর।
শহরটা এতক্ষনে অনেকটা ফাকা।
তারপর মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হল।
আমি কাকভেজা হয়ে সাইকেলের প্যাডেল মেরে বড়মাঠের দিকে আসছি।
বৃষ্টিতে ভিজছে দিনাজপুর শহর।
আকাশে বিদ্যুতের আকাবাকা রেখাগুলো তখন খেলা করছে।
চা ষ্টলগুলো ফাকা,কোন দোকানপাট খোলা নেই।
গোটা দিনাজপুর শহরটা এখন মৃত।
আমি একটা ফাকা চায়ের দোকানের সামনে থামলাম।
দোকানের টিনের ছাউনি থেকে বৃষ্টির ফোটাগুলো টিপটিপ করে পড়ছে।
শুকনো পাতার উপর বৃষ্টির শব্দ মরমর করে বাজছে।
আকাশে প্রচন্ড বজ্রধ্বনি,যেন আকাশটা আমার উপর প্রচন্ড রেগে এই গর্জন দিচ্ছে।
চারদিকে কুকুরগুলো ঘেউ ঘেউ করছে।
ঠিক তখন-ই মনে পড়ল তোমার কথা।
তোমার আসার কথা ছিল বড় মাঠে,ঠিক এগারোটায়।
এখন এগারোটা বেজে পয়তাল্লিশ।
মুঠোফোন বের করে দেখলাম,তোমার ২৯টা মিস্ড কল।
"তুমি কি এসেছিলে,নাকি আসোনি
নাকি এসে রাগ করে চলে গেছ।""
নানান ভাবনায় ব্যস্ত হয়ে পড়লাম,তোমাকে কল দেওয়ার ব্যালেন্স ছিলনা আমার।
তাই সাইকেলটা নিয়ে বড় মাঠে একটা চক্কর দিয়ে বাসায় ফেরার চিন্তা করলাম।
চক্কর দিতে গিয়েই দেখি তুমি, লাল জামা সাদা ওড়না পড়ে কৃষ্ণচুড়ার নিচে বসে ভিজছো।
ভিজবেইতো, তোমার জীবনে অঝোর ধারায় ভালবাসার শ্রাবণ নেমে এসেছিল।
আর সেই শ্রাবনে ভিজিয়েছিলে আমাকে।
আমি তোমার কাছে গেলাম।
তুমি কোন কথা বললেনা আমায়।
অভিমানে আর রাগে তুমি ফেটে পড়েছিলে।
সেদিন বুঝতে পারিনি
তোমার হৃদয়ে ছিল কত বড় ভালবাসার শ্রাবণ।
কতটা অনুরাগ থেকে এই রাগ সৃষ্টি হতে পারে।
আমি বললাম, সাইকেলে উঠো।
তারপর তোমাকে তোমার বাড়ির দিকে পৌছে দিলাম।
......................................
তারপর সাতটি বছর পেরিয়ে গেল।
কর্মজীবনে দিনাজপুরে ফিরে এসেছি।
শুনেছি, তুমি নাকি দিনাজপুরেই থাকো।
তোমার সংসার হয়েছে।
কোনদিন যদি ভুল করে দেখা হয়ে যায়,
একটিবার বলবে কি "কেমন আছো"?
যেন শ্রাবন বৃষ্টির বানে ডুবিয়ে দিবে দিনাজপুর শহর।
শহরটা এতক্ষনে অনেকটা ফাকা।
তারপর মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হল।
আমি কাকভেজা হয়ে সাইকেলের প্যাডেল মেরে বড়মাঠের দিকে আসছি।
বৃষ্টিতে ভিজছে দিনাজপুর শহর।
আকাশে বিদ্যুতের আকাবাকা রেখাগুলো তখন খেলা করছে।
চা ষ্টলগুলো ফাকা,কোন দোকানপাট খোলা নেই।
গোটা দিনাজপুর শহরটা এখন মৃত।
আমি একটা ফাকা চায়ের দোকানের সামনে থামলাম।
দোকানের টিনের ছাউনি থেকে বৃষ্টির ফোটাগুলো টিপটিপ করে পড়ছে।
শুকনো পাতার উপর বৃষ্টির শব্দ মরমর করে বাজছে।
আকাশে প্রচন্ড বজ্রধ্বনি,যেন আকাশটা আমার উপর প্রচন্ড রেগে এই গর্জন দিচ্ছে।
চারদিকে কুকুরগুলো ঘেউ ঘেউ করছে।
ঠিক তখন-ই মনে পড়ল তোমার কথা।
তোমার আসার কথা ছিল বড় মাঠে,ঠিক এগারোটায়।
এখন এগারোটা বেজে পয়তাল্লিশ।
মুঠোফোন বের করে দেখলাম,তোমার ২৯টা মিস্ড কল।
"তুমি কি এসেছিলে,নাকি আসোনি
নাকি এসে রাগ করে চলে গেছ।""
নানান ভাবনায় ব্যস্ত হয়ে পড়লাম,তোমাকে কল দেওয়ার ব্যালেন্স ছিলনা আমার।
তাই সাইকেলটা নিয়ে বড় মাঠে একটা চক্কর দিয়ে বাসায় ফেরার চিন্তা করলাম।
চক্কর দিতে গিয়েই দেখি তুমি, লাল জামা সাদা ওড়না পড়ে কৃষ্ণচুড়ার নিচে বসে ভিজছো।
ভিজবেইতো, তোমার জীবনে অঝোর ধারায় ভালবাসার শ্রাবণ নেমে এসেছিল।
আর সেই শ্রাবনে ভিজিয়েছিলে আমাকে।
আমি তোমার কাছে গেলাম।
তুমি কোন কথা বললেনা আমায়।
অভিমানে আর রাগে তুমি ফেটে পড়েছিলে।
সেদিন বুঝতে পারিনি
তোমার হৃদয়ে ছিল কত বড় ভালবাসার শ্রাবণ।
কতটা অনুরাগ থেকে এই রাগ সৃষ্টি হতে পারে।
আমি বললাম, সাইকেলে উঠো।
তারপর তোমাকে তোমার বাড়ির দিকে পৌছে দিলাম।
......................................
তারপর সাতটি বছর পেরিয়ে গেল।
কর্মজীবনে দিনাজপুরে ফিরে এসেছি।
শুনেছি, তুমি নাকি দিনাজপুরেই থাকো।
তোমার সংসার হয়েছে।
কোনদিন যদি ভুল করে দেখা হয়ে যায়,
একটিবার বলবে কি "কেমন আছো"?
No comments:
Post a Comment